Rakibul Hasan Shawon@labib
জীবনকে নতুনভাবে দেখার জন্য লিখি
মানুষকে তার কথার দ্বারা নয়, তার স্বার্থের দ্বারা বিচার করো।
যতদিন তোমার সঙ্গে তার লাভ জড়িত থাকবে, ততদিন সে বিশ্বস্ততার কথা বলবে। কিন্তু যখন তার স্বার্থ অন্য দিকে সরে যাবে, তখন তার আনুগত্যের আসল মূল্য প্রকাশ পাবে।
অনেকেই বন্ধুত্বের মুখোশ পরে কাছে আসে, কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য বন্ধুত্ব নয়—সুযোগ। তারা তোমার শক্তিকে সম্মান করে না, বরং তোমার দুর্বলতাকে হিসাবের খাতায় ল

পরিবারে যে ব্যক্তি সকল সিদ্ধান্ত নিজের হাতে রাখতে চায়, সে সবসময় ভালোবাসা থেকে তা করে না; অনেক সময় সে ক্ষমতার স্বাদ উপভোগ করে।
মানুষ স্বেচ্ছায় স্বাধীনতা ত্যাগ করে না, তাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে ভালোবাসার ভাষা, দায়িত্বের মুখোশ এবং নিরাপত্তার অজুহাত ব্যবহার করতে হয়।
সে চায় পরিবারের প্রত্যেকে তার পরামর্শের ওপর নির্ভরশীল থাকুক। কে কোথায় যাবে, কার সঙ্গে মিশবে, কী সিদ্

মানুষ এখন বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে কৌতূহলী
মানুষ এখন বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে কৌতূহলী
টাকার জন্য আজ নিজেকে কত আনন্দ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছি
_metadata{"quote":"টাকার জন্য আজ নিজেকে কত আনন্দ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছি"}দয়া করে কেউ আমাকে জ্ঞান দিতে আসবেন না কারণ অন্যের জ্ঞান আমার সাথে যায় না..!!
_metadata{"quote":"দয়া করে কেউ আমাকে জ্ঞান দিতে আসবেন না কারণ অন্যের জ্ঞান আমার সাথে যায় না..!!"}কিছু মানুষ এতো সুন্দর। লজিক দিয়ে মিথ্যা বলে / মনে হয় বিশ্বাস না করলে আমারই পাপ হবে..!
_metadata{"quote":"কিছু মানুষ এতো সুন্দর। লজিক দিয়ে মিথ্যা বলে / মনে হয় বিশ্বাস না করলে আমারই পাপ হবে..!"}কার দৌড় কতটুকু সব জানা আছে, আমি বইয়ের থেকে বেশি মানুষের চেহারা পড়ছি.
_metadata{"quote":"কার দৌড় কতটুকু সব জানা আছে, আমি বইয়ের থেকে বেশি মানুষের চেহারা পড়ছি."}পুকুরে ব্যাঙদের প্রতি পাথর নিক্ষেপকরা বালকদের গল্পের শিক্ষা কী?
এই গল্পটা প্রাচীন। নীতিশিক্ষামূলক গল্প হিশেবে পরিচিত। ঈশপের গল্পে এটি আছে। গল্পের সারাংশ এইরকম, এক গ্রামে এক পুকুর ছিল। সেই পুকুরে বাস করতেন কিছু ব্যাঙ। একদিন কিছু বালক মিলে খেলার অংশ হিশেবে সেই পুকুরে ঢিল ছুঁড়তে শুরু করলো।
ব্যাঙরা মারা যেতে থাকলেন ঢিলের আঘাতে।
বালকদের ঐদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ ছিল না। তারা মজা পাচ্ছিল। অতঃপর, একজন বুড়ো ব্যাঙ পানির নিচ
কেউ একজন বলছিলো —
“এটা শেষ হয়ে গেছে বলে কেঁদো না,
বরং হাসো কারণ এটা একসময় ঘটেছিল।”
এক বৃদ্ধ লোক প্রতিদিন বিকেলে স্টেশনে যেতেন।
চুপচাপ একটা বেঞ্চে বসে ট্রেন দেখতেন।
একদিন এক ছেলে জিজ্ঞেস করল,
“আপনি প্রতিদিন এখানে আসেন কেন?”
বৃদ্ধ একটু হেসে বললেন,
“অনেক বছর আগে আমি আর আমার স্ত্রী এখানেই বসতাম।
প্রতিদিন বিকেলে চা খেতাম, ট্রেন দেখতাম, গল্প করতাম।”
ছেলেটা ধীরে জিজ্ঞেস করল
আন্দ্রে গিদে বলেছিলেনঃ
“আপনি যা নন, তার জন্য ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে, আপনি যা, তার জন্য ঘৃণিত হওয়া ভালো।”
একটা ছোট গ্রামের গল্প।
সেখানে এক ছেলে ছিল, যে গান খুব ভালোবাসত।
কিন্তু গ্রামের মানুষ চাইতো সে তার বাবার মতো কঠোর ব্যবসায়ী হোক।
তাই ছেলেটা ধীরে ধীরে নিজের আসল সত্তা লুকাতে শুরু করল।
মানুষের সামনে সে গম্ভীর হয়ে থাকত,
হিসাবের খাতা নিয়ে বসত,
এমনকি নিজের পছন্দের গ
Brené Brown বলেছিলেন: “দুর্বলতা প্রকাশ করা কোনো দুর্বলতা না।”
একটা জাপানি গল্প আছে।
এক বৃদ্ধ মৃৎশিল্পী প্রতিদিন সুন্দর সুন্দর কাপ বানাতেন।
তার দোকানে একটা কাপ ছিল
যেটার পাশে ছোট একটা ফাটল ছিল।
অনেকে বলতো,
“এটা তো ত্রুটিপূর্ণ।”
“এটার দাম কম হওয়া উচিত।”
কিন্তু বৃদ্ধ মানুষটা কাপটা কখনো ফেলে দেননি।
একদিন একজন জিজ্ঞেস করল,
“এত নিখুঁত জিনিসের মধ্যে এই ভাঙা কাপটা কেন রাখেন?
হোঁচট খাওয়ার পাথর আর
এগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ির মধ্যে পার্থক্য হলো
আপনি সেগুলো কীভাবে ব্যবহার করেছেন।
_metadata{"quote":"হোঁচট খাওয়ার পাথর আরএগিয়ে যাওয়ার সিঁড়ির মধ্যে পার্থক্য হলোআপনি সেগুলো কীভাবে ব্যবহার করেছেন।"}নিজেকে বেশি দামি - ভেবো না, কারণ দামি হতে চরিত্র লাগে সৌন্দর্য না...
_metadata{"quote":"নিজেকে বেশি দামি - ভেবো না, কারণ দামি হতে চরিত্র লাগে সৌন্দর্য না..."}কেউ ভুলে যায় না। প্রয়োজন শেষ, তাই আর যোগাযোগ রাখে না।
_metadata{"quote":"কেউ ভুলে যায় না। প্রয়োজন শেষ, তাই আর যোগাযোগ রাখে না।"}রক্তের অভাবে যিনি মারা গেলেন তার বাড়িতে খেতে এলো একই রক্তের, গ্রুপের ২৭ জন.!
_metadata{"quote":"রক্তের অভাবে যিনি মারা গেলেন তার বাড়িতে খেতে এলো একই রক্তের, গ্রুপের ২৭ জন.!"}পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে… নাকি আমাদের বিশ্বাস?
চেষ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু জীবনে অনেক সময় ভাগ্যই সবকিছু বদলে দেয়।
কেউ দিন-রাত পরিশ্রম করেও পিছিয়ে থাকে,
আবার কেউ সঠিক সময়ে সঠিক সুযোগ পেয়ে অনেক দূর চলে যায়।
তাই চেষ্টা করে যেতে হয়…
কারণ কখন কোন সুযোগ জীবন বদলে দেবে, কেউ জানে না।
আর timing…
সবসময় মেধাবীদের পক্ষে যায় না।”
— Robert Greene inspired
বিশ্বে মদ্যপানে সৌদি আরবের লোকেরা এক নম্বরে। কারণ, তাদের নিজের দেশ সৌদি আরবে মদ্যপান নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
পর্ণগ্রাফী দেখায় পাকিস্তানীরা এক নম্বরে। কারণ, পাকিস্তানে পর্ণগ্রাফি দেখা নিষিদ্ধ।
অন্যদিকে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস গাঁজা সেবনে বিশ্বের প্রথম ২০ টা দেশের তালিকায় নাই। কারণ, এই দুই দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গাঁজা সেবন আইনগত বৈধ।
বাংল
দয়া করে আমাকে জ্ঞান দিবেন না, আমার যে জ্ঞান আছে। তা দিয়ে আপনাকে ধ্যানে বসাতে পারবো..!
_metadata{"quote":"দয়া করে আমাকে জ্ঞান দিবেন না, আমার যে জ্ঞান আছে। তা দিয়ে আপনাকে ধ্যানে বসাতে পারবো..!"}যে যুদ্ধ জেতা সম্ভব না
সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাহস না, বোকামি
ইতিহাসে তাকান
Napoleon Bonaparte
রাশিয়ায় ঢুকেছিলেন জেতার জন্যকিন্তু বাস্তবতা বুঝতে দেরি করেছিলেন
ফল, সেনাবাহিনী হারাল, ক্ষমতা ভেঙে পড়ল
আরেকটা দিক দেখুন
Mahatma Gandhi
তিনি লড়াই করেছিলেন, কিন্তু সবার মতো না যেখানে সরাসরি যুদ্ধ হারার সম্ভাবনা সেখানে তিনি পথ বদলেছিলেন স্ট্র্যাটেজি বদলেই শক্তি বানিয়েছিলেন
আর Nels
আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন—
একই কথা দুইজন মানুষ বলে,
একজনকে সবাই শোনে… আরেকজনকে কেউ না?
সমস্যা কথায় না সমস্যা ক্ষমতায়।
আপনি যতই ভদ্র হন, যতই ভালো হন যদি আপনার কোনো প্রভাব না থাকে,
তাহলে আপনাকে মানুষ “nice” বলবে… কিন্তু “important” না।
Niccolò Machiavelli একসময় বলেছিলেন মানুষ ভালোবাসার চেয়ে ভয়কে বেশি গুরুত্ব দেয়। কারণ ভালোবাসা বদলায়…
কিন্তু ভয় হিসাব করে চলে।
খেয়াল করে

সব সময় কালোটা...! পছন্দ করবেন মনে রাখবেন দাগ কিন্তু সাদাতে..তাড়াতাড়ি লাগে...!”
_metadata{"quote":"সব সময় কালোটা...! পছন্দ করবেন মনে রাখবেন দাগ কিন্তু সাদাতে..তাড়াতাড়ি লাগে...!”"}যারা আমাকে পছন্দ করেন নাই তাদের চোখের সামনে রাজত্ব করাই আমার মূল লক্ষ্য
_metadata{"quote":"যারা আমাকে পছন্দ করেন নাই তাদের চোখের সামনে রাজত্ব করাই আমার মূল লক্ষ্য"}সময় হলে দেখিয়ে দেওয়া হবে!! ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরে আসা পুরুষদের জেদ কারে কয় 🔥😳
_metadata{"quote":"সময় হলে দেখিয়ে দেওয়া হবে!! ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরে আসা পুরুষদের জেদ কারে কয় 🔥😳"}শক্তিশালী ভাবে কথা বলুন ভয় একটি ভাষা মাত্র আপনার আজকের গর্জন আগামীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। ধন্যবাদ
_metadata{"quote":"শক্তিশালী ভাবে কথা বলুন ভয় একটি ভাষা মাত্র আপনার আজকের গর্জন আগামীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। ধন্যবাদ"}সবার মতো’ Attitude নিয়ে আমি চলি না, আমার টা তখনই দেখবেন যখন আপনি দেখাবেন...!
ধন্যবাদ
_metadata{"quote":"সবার মতো’ Attitude নিয়ে আমি চলি না, আমার টা তখনই দেখবেন যখন আপনি দেখাবেন...!ধন্যবাদ"}কুকুরের সঙ্গে আপনি কখনোই তর্ক করতে পারবেন না,তাই অতিরিক্ত বেয়াদব কিংবা মূর্খের সাথে তর্ক করতে যাবেন না। ধন্যবাদ
_metadata{"quote":"কুকুরের সঙ্গে আপনি কখনোই তর্ক করতে পারবেন না,তাই অতিরিক্ত বেয়াদব কিংবা মূর্খের সাথে তর্ক করতে যাবেন না। ধন্যবাদ"}ভালো মানুষ হওয়ার শখ ছিল একসময়
এখন বুঝি
এই দুনিয়া ভালো মানুষ খোঁজে না
সহজ মানুষ খোঁজে… ব্যবহার করার জন্য
তুমি যত নরম তত সহজে ভাঙবে তুমি যত সৎ
তত সহজে ঠকবে
ভালো মানুষ হতে চাইলে এই দুনিয়ায় টিকে থাকা কঠিন তাই এখন হিসাব বদলেছি
সবাইকে হাসি দেই কিন্তু সবাইকে বিশ্বাস করি না
কারণ বাস্তবতা খুব simple ভালো হওয়া একটা গুণ
কিন্তু টিকে থাকা একটা স্কিল।
- কাতার প্রবাসী
পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে… নাকি আমাদের বিশ্বাস?
মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে—হাতে টাকা, চোখে অপেক্ষা।
কিন্তু এই লাইনটা শুধু তেলের জন্য না… এটা অনিশ্চয়তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের লাইন।
সংকট কখনো হঠাৎ আসে না।
এটা তৈরি হয়—ধীরে ধীরে, হিসেব করে, পরিস্থিতিকে নিজের মতো বাঁকিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে।
তেল কমে গেলে শুধু গাড়ি থামে না—
মানুষের ধৈর্য থামে, বিশ্বাস কমে যায়, আর তখনই শুরু হয় আসল খেলা।
কারণ সংকট মানেই সুযোগ। কেউ তেলের জ
মানুষ ভালো না—সুযোগ পেলে ভালো হওয়ার অভিনয় করে
মানুষ ভালো—এই বিশ্বাসটা সুন্দর, কিন্তু বাস্তবটা এতটা কোমল না।
মানুষ ভালো না—সুযোগ পেলে ভালো হওয়ার অভিনয় করে।
যখন কিছু পাওয়ার থাকে, তখন তারা caring হয়, loyal হয়,
তোমার পাশে থাকার গল্প বলে। আর যখন পাওয়ার কিছু থাকে না,
তখন সেই একই মানুষ চুপচাপ দূরে সরে যায়—কোনো explanation ছাড়াই।
কারণ সত্যিটা simple—
মানুষ emotion দিয়ে না, benefit দিয়ে relation মাপে। তাই সবাইকে ভালো
এই যে Donald Trump যুদ্ধের কথা বলছে…
কখনো কি মনে হয়—এই কথাগুলোর পেছনে কত অজানা ভয় লুকিয়ে আছে?
দূরে কোথাও যুদ্ধ শুরু হলে
শুধু বোমা পড়ে না,
পড়ে হাজার মানুষের স্বপ্নের উপর।
কেউ তার পরিবার হারায়,
কেউ তার ঘর,
আর কেউ হারায় বেঁচে থাকার ইচ্ছাটুকু।
Iran নিজের জায়গা ধরে রাখতে লড়ছে,
রাজনীতি নিজের হিসাব মেলাচ্ছে—
কিন্তু এই সব কিছুর মাঝে
সবচেয়ে চুপচাপ ভেঙে পড়ে সাধারণ মানুষগুলো।
যাদে
টুনটুনির বই - টুনটুনি আর নাপিতের কথা
পুরো পৃথিবীর ৪ ভাগের ৩ ভাগ মানুষই এখনো AI এর কোনো টুলস ব্যবহার করে নাই!
ভাবা যায়!
তাতেই পুরো বিশ্বের সবগুলো দেশ নড়েচড়ে বসছে, লে-অফ এর টেনশন বাড়তেছে সর্বত্র!
AI Adoption এর উপর সম্প্রতি একটা রিপোর্ট পাবলিশ হয়েছে,
যেখানে বলা হচ্ছে:
৬০০ কোটি মানুষ এখনো পর্যন্ত AI এর কোনো টুল একবারো ব্যবহার করেই নাই!
১৩০ কোটি মানুষ ফ্রি চ্যাটবট গুলো ইউজ করে জাস্ট।
মানে ChatGPT, G
মানুষ এখন বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে কৌতূহলী
কিন্তু এই কৌতূহলটা শুধু খবর জানার জন্য না—
এটা একটা অদ্ভুত অনুভূতি…
আমরা স্ক্রল করি, দেখি—
কোথাও যুদ্ধ, কোথাও সংকট, কোথাও মানুষ বাঁচার লড়াই করছে।
আর আমরা?
স্ক্রিনের ওপারে বসে ভাবি—
“আসলে কী হচ্ছে পৃথিবীতে?”
এই কৌতূহলের ভেতরে একটু ভয় আছে,
একটু অনিশ্চয়তা আছে,
আর আছে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন—
“আমরা কি সত্যিই নিরাপদ?”
আমরা খবর দেখি, ভিডিও দেখি, পোস্ট পড়ি—
কিন্তু আসলে আমরা খুঁজছি
মুড না, কাজই মুড তৈরি করে
মুড নেই
পাগলা কুকুর তাড়া করলে আপনি কখনোই বলবেন না, ‘ভাই, মুড নেই আজ দৌড়াবো না।’ সেরকম যে কাজই আপনার সামনে আসুক না কেন, মুড আসার অপেক্ষা না করে কাজ শুরু করে দিন। দেখবেন মুড চলে এসেছে, সাথে সাফল্য...
‘দুঃখ বিলাস’ বা ‘কিছুই ভালো লাগে না’— এমন একটা রোগ আছে। আমি এর নাম দিয়েছি ‘আলসেমাইটিস’। আমাকে অল্প কদিন এই রোগটা পেয়েছিল এক আত্মীয়ের কাছ থেকে, তিনি আমার সাথে বেশ কি
জাকারবার্গের ভুলটা কোথায় ছিল?
২০২১ সালে Mark Zuckerberg সবার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন "Metaverse-ই ভবিষ্যৎ"
তিনি এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, নিজের কোম্পানির নামই বদলে ফেললেন।
Facebook হয়ে গেল Meta।
বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালা হলো Reality Labs-এ। Ads, events, partnerships চারদিকে শুধু হাইপ আর প্রত্যাশা।
মানুষ দেখছিল ঠিকই…কিন্তু মানুষের আগ্রহটাই তৈরি হয়নি।
এর চূড়ায় গিয়ে Horizon Worlds-এর মাসিক ব্যবহ
জাকারবার্গের ভুলটা কোথায় ছিল?
হিউম্যান বিহেভিয়ার খুব জটিল জিনিস। মার্ক জাকারবার্গ সেটা বুঝতে ৮০ বিলিয়ন ডলার খরচ করলো।
কী ছিলো না তার কাছে!! কয়েক বিলিয়ন ইউজার। আনলিমিটেড ফান্ডিং। সাথে দুনিয়ার সেরা সব ট্যালেন্ট।
কিন্তু সবকিছুর পরেও ইউজাররা মেটাভার্স ইউজ করলো না।
তাই বাংলাদেশের যেসব কোম্পানি বা স্টার্টআপ সফলভাবে মানুষের বিহেভিয়ার চেঞ্জ করতে পেরেছে, তাদের প্রতি আমার ম্যাসিভ রেস্পেক্ট।
এই তাল
সবাই তোমার ব্যর্থতা দেখবে, কিন্তু তোমার নীরব লড়াইটা কেউ দেখবে না
সবাই তোমার ব্যর্থতা দেখবে, কিন্তু তোমার নীরব লড়াইটা কেউ দেখবে না।
মানুষ সাধারণত ফলাফল দেখে।
কে জিতল, কে হারল, কে পিছিয়ে গেল — এগুলোই সবার চোখে পড়ে।
কিন্তু একটি মানুষ কতদিন নিজের ভেতরের ভয়, অনিশ্চয়তা, অভাব, একাকীত্ব আর হতাশার সাথে লড়েছে, সেটা খুব কম মানুষই দেখে।
তুমি হয়তো Larry Page-এর কথা শুনেছো— Google-এর co-founder।
আজ মানুষ তার সাফল্যের গল্প জানে, কিন্তু শুরুত
চুপচাপ যারা grow করে, তারাই শেষে জিতে যায়?
সবাই নিজের লড়াই loudly দেখায় না।
কেউ কেউ চুপচাপ কাজ করে, চুপচাপ শেখে, চুপচাপ নিজেকে বদলায়। বাইরে থেকে দেখে মনে হয়, সে তেমন কিছু করছে না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে প্রতিদিন একটু একটু করে আগের চেয়ে শক্ত হচ্ছে।
অনেক মানুষ আছে যারা শুধু দেখায়।
তাদের শব্দ বেশি, ঘোষণা বেশি, উপস্থিতি বেশি।
আর কিছু মানুষ আছে, যাদের শব্দ কম, কিন্তু কাজ গভীর।
তারা প্রতিদিন নিজের skill বাড়ায়, ভ
অনেক বুদ্ধিমান মানুষ সফল হয় না, আবার অনেক সাধারণ মানুষ সফল হয় এর কারন কি?
ইতিহাসে এমন অসংখ্য মানুষ আছে যারা খুব মেধাবী ছিল, কিন্তু বড় কিছু তৈরি করতে পারেনি। আবার এমন অনেক মানুষ আছে যাদের কেউ বিশেষ প্রতিভাবান ভাবেনি, কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছে।
এর একটি পরিচিত উদাহরণ হলো Jack Ma।
স্কুল জীবনে তিনি বারবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্যও তাকে কয়েকবার চেষ্টা করতে হয়েছিল। পরে চাকরির জন্য যখন বিভিন্
জ্যাক মা এতবার ব্যর্থ হয়েও কেন থামেননি?
অনেক মানুষ ব্যর্থতাকে শেষ মনে করে।
একবার ব্যর্থ হলেই তারা ভাবে—“হয়তো এটা আমার জন্য না।”
কিন্তু Jack Ma-এর গল্পটা অন্যরকম।
তিনি স্কুলে বারবার পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কয়েকবার চেষ্টা করতে হয়েছিল।
চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন অনেক জায়গায়—কিন্তু প্রায় সব জায়গা থেকেই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
একবার ২৪ জন মানুষ একটি চাকরির জন্য আবেদন করেছিল।
২৩ জনকে
সমাজে বেকারত্বের আসল কারণ কী—মানুষের মানসিকতা, নাকি সমাজের কাঠামো?
সমাজে বেকারত্বের মূল কারণ কী? আলস্য, অহংকার।
পরিশ্রমী মানুষ কখনো বেকার থাকেনা। আর বেকার থাকার চেয়ে দিন-মজুর, রিকশা ওয়ালা হওয়া উত্তম।
কে কি বলল ভাবতে ভাবতে আমাদের দিন চলে যায়। সমাজে বেকারত্বের কারণ হলো সমাজ।
মাসে ১৫-২০ হাজার টাকার চাকরি করেন কোনো সমস্যা নাই, ঘুষ খান আরো ভালো, সবচেয়ে ভালো হয় ব্যাংক ডাকাত হতে পারলে।
আর যদি কাজ করে খান, ছোট খাটো ব্যাবসা করেন তাইলেই
নিরপেক্ষ থাকা কি সত্যিই নির্দোষ থাকা?
আমরা প্রায়ই বলি—
“আমি রাজনীতিতে নেই।”
“আমি কোনো পক্ষ নেই।”
“আমি নিরপেক্ষ।”
শুনতে খুব শান্ত, খুব ভদ্র একটা অবস্থান।
কিন্তু প্রশ্নটা হলো—
নিরপেক্ষ থাকা মানে কি সত্যিই নির্দোষ থাকা?
ধরো, কোনো অন্যায় তোমার সামনে হচ্ছে।
তুমি কিছু বললে না।
কিছু করলে না।
কোনো পক্ষ নিলে না।
তুমি কি নির্দোষ?
নাকি তুমি শুধু নিরাপদ?
অনেক সময় নিরপেক্ষতা নীতির না, ভয়ের জায়গা থেকে আসে।
আমরা ঝামেলা চাই
যুদ্ধের খবর যত বাড়ে, আমাদের মানবিকতা কি তত কমে?
একটা সময় যুদ্ধ মানে ছিল আতঙ্ক।
এখন যুদ্ধ মানে নোটিফিকেশন।
স্ক্রিনে ভেসে ওঠে—
বিস্ফোরণ, হামলা, প্রতিশোধ, পাল্টা আক্রমণ।
আমরা দেখি। শেয়ার করি। তর্ক করি।
তারপর স্ক্রল করে আরেকটা ভিডিওতে চলে যাই।
যুদ্ধ থামে না।
শুধু আমাদের মন থেমে যায়।
প্রতিদিন এত খবর আসে যে কষ্টেরও যেন একটা সীমা আছে।
একসময় মানুষ মরার খবর শুনে আমরা থমকে যেতাম।
এখন সংখ্যাটা বড় হলে অবাক হই, ছোট হলে গুরুত্ব
মিডিয়া কি আমাদের আবেগ বিক্রি করছে?
বাংলাদেশের মিডিয়া ও মিডিয়াকর্মী যারা আছে তারা এমন সুন্দর করে নিউজ উপস্থাপন করছে যেন ইরানই যুদ্ধের সর্বদিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। আমাদের আবেগ ও উত্তেজনাকে কাজে লাগিয়ে ভিউ ব্যাবসা করা হলো তাদের ধান্দা। এই মুহূর্তে চরম বাস্তবতা হলো আজ ইরান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে গত হচ্ছে। মোসাদের সাহায্যে ইরানের মাটিতে নেমে অপারেশন চালাচ্ছে মার্কিন ইসরায়েলের যৌর্থ বাহিনী।
আয়াত
ইতিহাস সব সময় শক্তদের পক্ষে লেখা হয়
ইতিহাস কখনো নিরপেক্ষ ছিল না।
সে সবসময় ক্ষমতার টেবিলের পাশেই বসেছে।
যার হাতে তলোয়ার ছিল,
কলমটাও শেষ পর্যন্ত তার হাতেই গেছে।
জয়ীরা ইতিহাস লেখে—এটা কোনো অভিযোগ না, এটা নিয়ম।
কারণ হারারা ব্যস্ত থাকে কবর গুনতে,
আর বিজয়ীরা ব্যস্ত থাকে গল্প বানাতে।
ইতিহাস বলে—কে দেশ “উদ্ধার” করল।
বলে না—কাদের ঘর পুড়ল।
ইতিহাস বলে—কে শত্রুকে “শাস্তি” দিল।
বলে না—কারা “উদাহরণ” হয়ে মরল।
যে দখল কর
ভাল মানুষ হওয়া কঠিন না, ধারাবাহিক হওয়াই কঠিন
ভাল মানুষ হওয়া আসলে কঠিন কিছু না।
একটা দিনে দয়া করা যায়,
একটা মুহূর্তে সত্য বলা যায়,
একবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যায়।
কঠিনটা শুরু হয় পরের দিন।
ধারাবাহিকতা মানে প্রতিদিন একই নৈতিক ওজন বইতে রাজি থাকা—
যখন কেউ দেখছে না,
যখন লাভ নেই,
যখন ক্ষতি নিশ্চিত।
ভাল হওয়া অনেক সময় ইমেজ।
ধারাবাহিক হওয়া সবসময় মূল্য।
ভাল মানুষ হওয়া উৎসবে হয়—
ক্যামেরা থাকে, হাততালি থাকে, গল্প হয়।
ধারাব
আমরা কেন পড়া ছেড়ে দিই, কিন্তু স্ক্রল করা ছাড়ি না
আমরা বলি “সময় পাই না।”
মিথ্যে।
সময় আছে বলেই আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করি।
আসলে আমরা পড়া ছেড়ে দিই, কারণ পড়া মানুষকে বদলায়;
আর স্ক্রল ছাড়ি না, কারণ স্ক্রল মানুষকে শান্তভাবে নিষ্ক্রিয় রাখে।
পড়া চায় পরিশ্রম।
স্ক্রল চায় শুধু আঙুল।
পড়া প্রশ্ন তোলে “আমি কি ঠিক ভাবছি?”
স্ক্রল বলে “চিন্তা কোরো না, পরেরটা দেখো।”
পড়া মানুষকে একা করে।
একটা বইয়ের সাথে বসে থাকলে, নিজের মাথার শব্
যুদ্ধের সময় মানুষ কী হারায়—যা খবরের শিরোনামে আসে না
যুদ্ধের খবর আমরা পড়ি সংখ্যায়—
কতজন নিহত, কতটা এলাকা দখল, কত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।
কিন্তু যুদ্ধ আসলে সংখ্যার খেলা নয়। যুদ্ধ হলো ক্ষমতার হিসাব, আর সেই হিসাবের খাতায় মানুষ কেবল ব্যয়যোগ্য সম্পদ।
খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধের প্রথম শিকার সত্য।
প্রতিটি পক্ষ নিজের বোমাকে “প্রতিরক্ষা” বলে, অন্যের কান্নাকে “প্রপাগান্ডা” বলে। সত্য এখানে বিলাসিতা—যুদ্ধের সময় রাষ্ট্র সত্য বহন
ইরান কেন ‘আয়রন ডোম’ বানায়নি?
ইরান কেন ‘আয়রন ডোম’-এর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেনি? অদ্ভুত সমরনীতি নাকি বাস্তবমুখী কৌশল?
ইসরায়েলের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক মিসাইল হামলার পর অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ইরান তো জানেই তারা টার্গেট, তাহলে তারা কেন ইসরায়েলের ‘আয়রন ডোম’-এর মতো কোনো শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত তৈরি করেনি? ইরানের সমরনীতি কি তবে দুর্বল?
আসলে বিষয়টি যত
যার জীবনে মিশন নেই, সে অন্যের খেলায় ঘুঁটি
যে পুরুষের জীবনে কোনো 'মিশন' নেই, তাকে খুব সহজেই চিনে নেওয়া যায়।
সে লক্ষ্যহীনভাবে ভেসে বেড়ায়। সে কেবল পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় চলে। সে সবসময় অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকে—অন্যরা কী করছে তা দেখার জন্য, অন্যদের অনুকরণ করার জন্য কিংবা অন্যের সাথে তুলনা করে নিজের দুঃখ বাড়ানোর জন্য।
আর যখনই বাতাসের দিক বদলায়, তার লক্ষ্যও বদলে যায়।
আজ সে টাকার পেছনে ছুটছে। কাল সে স্ট্যাটাসে
নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই
আপনার কাছে যদি মুরগির ঝোল আর সাদা ভাত বেশি ভালো লাগে তবে আপনি সেটাই খান! গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের চোখে স্মার্ট সাজার জন্য চাইনিজ অর্ডার করার দরকার নাই!
যদি ক্যাপিচিনো খেতে ভালো না লাগে জোর করে ভালো লাগাতে যাবেন না, আপনি টং দোকানের দুধ চা খান — কোনো দ্বিধা ছাড়াই দুধ চায়ের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিন।
আপনার গেম অব থ্রোনস ভালো লাগে না, আপনি ডার্ক ফ্যান্টাসি
যে জীবন পেতে ২৫ বছর লাগে, তা যদি আজই থাকে?
মেক্সিকো ভ্রমণে গেছেন এক পর্যটক। ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানে জেলেদের মাছ ধরা দেখে তিনি দারুণ মজা পেলেন। তাদের কাছে গিয়ে পর্যটক বললেন, "আচ্ছা, প্রতিদিন মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”
“বেশিক্ষণ না!” জেলেদের ঝটপট জবাব।
“তাহলে আপনারা বেশি সময় ধরে আরো বেশি মাছ ধরেন না কেন?” পর্যটক প্রশ্ন করেন।
"আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়।" জেলের
আপনি সব লেখা পড়ে ফেলেছেন!