Rakibul Hasan Shawon@shawonetc
Founder & CEO, Jeread
আমার স্বপ্নের উচ্চতা দেখে অনেক...
জনগণকে অন্ধ রাখার সবচেয়ে কার্...
যার চোখে আমি খারাপ তার দৃষ্টিশ...
২০১৬ সালে একটি কোন আইসক্রিমের দাম ছিল ২৫ টাকা।
আজ সেই একই আইসক্রিম ৭০ টাকা।
প্রশ্নটা আইসক্রিম নিয়ে নয়।
ধরুন, ২০১৬ সালে আপনি ১ লাখ টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন।
আজও যদি সেই ১ লাখ টাকা আপনার কাছে থাকে, তাহলে কি আপনি ২০১৬ সালের মতো একই পরিমাণ জিনিস কিনতে পারবেন?
সময় খুব নীরবে একটি কাজ করে
সে আপনার টাকা কেড়ে নেয় না,
সে টাকার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
এই কারণেই শুধু টাকা জমিয়ে

ফার্মেসির ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক একটা ব্যবসা। ঔষধ বিক্রির কমিশন, বোনাস, ফ্রি ঔষধসহ নানা খাত থেকে লাভের সুযোগ আছে। তবে এই বিজনেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নগদ কাস্টমার এবং বাকী কাস্টমার। নগদ অর্থে কাস্টমার যদি টা ঔষধ কিনতে আসে তাহলে টা ঔষধ থাকতেই হবে। টা যদি না থাকে তাহলে সেই কাস্টমার পরবর্তীতে না আসার সম্ভাবনা বেশি। এ কারণে এই বিজনেসের গুরুত্বই যত বেশি

জীবন হলো একটা " জীবন্ত উপন্যাস...
কয়েকটি যুদ্ধ না হেরে যুদ্ধ
জেতা শেখা যায় না।
_metadata{"quote":"কয়েকটি যুদ্ধ না হেরে যুদ্ধজেতা শেখা যায় না।"}এক মুঠো ভাতের পেছনে লুকিয়ে থাকে একজন কৃষকের হাজারটা নির্ঘুম রাত।
আমরা বাজারে গিয়ে খুব সহজেই চাউল কিনে আনি।
কিন্তু সেই চাউল ঘরে তুলতে একজন কৃষককে কতটা যুদ্ধ করতে হয়, সেটা খুব কম মানুষই ভাবি।
প্রখর রোদে পুড়ে,
হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে,
কখনো ঋণের চাপ নিয়ে,
আবার কখনো ফসল নষ্ট হওয়ার ভয় নিয়ে
একজন কৃষক প্রতিদিন লড়াই করে যায়।
ধানের প্রতিটি শীষে লেগে থাকে তার ঘাম।
প্রতিটি দানায় মিশে

পুরুষের জীবনে টাকা ও নারী কখনো সঠিক সময়ে আসে না। 🖤
_metadata{"quote":"পুরুষের জীবনে টাকা ও নারী কখনো সঠিক সময়ে আসে না। 🖤"}জীবন কখনো ফুলের বাগান কখনো ভয়ংকর যুদ্ধের ময়দান..! 😭❤️
_metadata{"quote":"জীবন কখনো ফুলের বাগান কখনো ভয়ংকর যুদ্ধের ময়দান..! 😭❤️"}নানান রকমের উত্তর দিতে হয় বলে; আমি সংক্ষিপ্ত আকারে বলি, ভালো আছি.!🖤
_metadata{"quote":"নানান রকমের উত্তর দিতে হয় বলে; আমি সংক্ষিপ্ত আকারে বলি, ভালো আছি.!🖤"}পৃথিবীতে এমন অনেক কিছুই থাকে, যা আমরা খুব করে চাই, কিন্তু পাই না।
_metadata{"quote":"পৃথিবীতে এমন অনেক কিছুই থাকে, যা আমরা খুব করে চাই, কিন্তু পাই না।"}৯০% মানুষ ধনী হতে পারে না কারণ তারা ভুল গল্পে বিশ্বাস করে।
অতি দ্রুত ধনী হওয়ার বিজ্ঞাপন আমরা প্রতিদিন দেখি। কেউ বলে ৬ মাসে ইনকাম, কেউ বলে ১ বছরে লাইফ সেট। কিন্তু একটা প্রশ্ন—যারা পারলো না, তারা কোথায় গেল?
তুমি সফল ইউটিউবার দেখো, কিন্তু ধরো ১০০০ জন চ্যানেল খুললো, হয়তো ১০ জন উঠলো, বাকি ৯৯০ জন চুপচাপ হারিয়ে গেল। তাদের গল্প কেউ বলে না।
ধরো ব্যবসা, একজন দোকান খু

বাগদাদে এক গরীব লোক ছিল। সে প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করতো, আল্লাহ, এই দারিদ্র্যের কষ্ট তো আর সহ্য হয় না মাবুদ, আমারে ধনী বানাইয়া দাও। যাতে আর এই কষ্ট করতে না হয়।
একদিন সে এরকম দোয়া করে ঘুমাইছে, স্বপ্নে দেখল, এক কণ্ঠস্বর বলতেছে, অমুকের বাড়িতে যাইবা। গিয়া প্রথমে যে কাগজটা চোখে পড়বে, ওইটা নিয়া আসবা।
গরীব লোকটা পরদিন তাই করলো। কাগজ নিয়া আসলো। কাগজে লেখ
৭ দিন আগে Jeread লাইভ হয়েছিল
আজ ১০০+ মানুষ এটা ডাউনলোড করেছে
তুমি যদি শুধু সংখ্যা দেখো এটা কিছুই না
কিন্তু আমি জানি এই ১০০ এর পেছনে কত রাত না ঘুমানো কতবার হাল ছেড়ে দিতে চাওয়া আবার নিজেকে ধরে রাখা লুকানো আছে
এই অ্যাপটা আমি একা বানিয়েছি
কেউ পাশে ছিল না কেউ বলেওনি চালিয়ে যা নিজেকেই নিজে ঠেলতে হয়েছে
মাঝে মাঝে মনে হতো এইসব করে কি হবে
কেউ কি আদৌ ব্যবহার করবে
নাকি সবটাই এক

বিশ্বাস হলো.. রাজকীয় জিনিস, ভি...
এমন কিছু জিনিস আছে যা তুমি শুধ...
সবাই নৈতিকতার কথা বলে, কিন্তু ...
সব সময় ভালো হতে গেলে, এই পৃথিবী তোমাকে টিকে থাকতে দেবে না।
সবাই ভালো হতে চায়।
ছোটবেলা থেকে আমাদের শেখানো হয়—ভালো মানুষ হও, সৎ থাকো, কারো ক্ষতি করো না।
আমরাও বিশ্বাস করি, ভালো থাকলেই সব ভালো হবে।
কিন্তু বাস্তবটা একটু আলাদা।
এই পৃথিবী সবসময় ভালো মানুষদের জন্য সহজ না।
এখানে অনেক সময় তুমি যত বেশি ভালো হবে, তত বেশি মানুষ তোমাকে ব্যবহার করবে, উপেক্ষা করবে, এমনকি দুর্বল ভাববে।
ভালো মানুষ হতে চাইলে,
এই দুনিয়ায় টিকে থাকা কঠিন।
— Nic
ছোট বড় বলে কিছু নেই, সুযোগ পেল...
২ বছর ধরে একটা জিনিস বানাচ্ছি।
রাত জেগে, বারবার ভেঙে, আবার দাঁড় করিয়ে।
আজ release করার পর একজন এসে বললো
“এটা ৩ দিনের কাজ।” 🙂
Funny না… actually sad।
UI দেখে judgement দেওয়া খুব easy।
কিন্তু backend, logic, scalability, planning এইগুলা চোখে পড়ে না, তাই না?
৩ দিনে app বানানো যায়
clone, template, copy-paste করে।
কিন্তু নিজের idea, নিজের system, নিজের vision দাঁড় করাতে
স
অভাব-অনটন মানুষকে বোকা বানিয়ে ...
হাল ছেড়ো না পরিশ্রমে যে ফসল ফল...
কিছু যুদ্ধ তোমাকে ভাঙেনি, বরং ...
তুমি শেষ কবে এমন কিছু পড়েছো, যেটা তোমার ভেতরটা নাড়িয়ে দিয়েছে?
সবাই সফল মানুষের গল্প শোনে…
কিন্তু ব্যর্থ মানুষের গল্প কে শোনে?
সবাই জেতার গল্প দেখে…
কিন্তু হেরে যাওয়ার গল্প কে বুঝে?
সবাই আলো দেখে…
কিন্তু অন্ধকারের ভেতরের লড়াইটা কে দেখে?
আমরা হাসিমুখ দেখি…
কিন্তু ভেতরের কষ্টটা কে পড়ে?
এই কারণেই বানিয়েছি Jeread।
এটা এমন একটা জায়গা
যেখানে শুধু সফলতার গল্প না,
মানুষের আসল গল
সবাই ভুল ভাবছে বৈশাখ নিয়ে
পান্তা-ইলিশ খেতে না পেরে মন খারাপ?
একটু থামেন।
পহেলা বৈশাখ মানেই কিন্তু ইলিশ না।
ইলিশ বরাবরই দামি মাছ—সবাই খাবে, এমন সংস্কৃতি কখনো ছিল না।
পান্তা-ইলিশ ট্রেন্ড হয়েছে অনেক পরে—
মিডিয়া আর ব্যবসার কারণে।
আর ফেসবুক আসার পর,
বিভিন্ন ইভেন্ট, ছবি, পোস্ট—
এসবের মাধ্যমে এটা আরও বেশি popular হয়ে যায় সোশাল মিডিয়াতে।
আসল বৈশাখ ছিল সহজ—
পান্তা ভাত, লবণ, মরিচ, পেঁয়াজ…
আর ছিল নতুন শুর
মানুষ এখন গল্প কম, ডাটা বেশি শেয়ার করে।
আমরা কেমন আছি—তা বলার বদলে
আমরা দেখাই: last seen, online status, typing...
আমাদের অনুভূতি এখন emoji হয়ে গেছে 🙂
আমাদের স্মৃতি এখন cloud-এ জমা পড়ে থাকে
আর আমাদের গল্প?
সেগুলো হারিয়ে যায় notification-এর ভিড়ে।
একটা সময় মানুষ গল্প বলত—
কষ্ট, ভালোবাসা, হারিয়ে যাওয়া, ফিরে পাওয়া...
এখন আমরা শুধু আপডেট দেই।
হয়তো সময় এসেছে আবার গল্পে ফির
সত্য একটাই… কিন্তু সবাই তা দেখে না
একটা রাজ্য।
একজন রাজা।
আর এক অদ্ভুত পোশাক।
গল্পটা The Emperor's New Clothes থেকে—
কিছু লোক এসে বললো,
“এই পোশাক শুধু বুদ্ধিমান মানুষই দেখতে পাবে।”
রাজা সেটা পরলো।
মন্ত্রী দেখলো—কিছুই নেই।
তবুও বললো, “অসাধারণ!”
জনগণ দেখলো—
কেউ কিছুই বুঝছে না,
কিন্তু সবাই clap দিচ্ছে।
কারণ কেউ বোকা প্রমাণ হতে চায় না।
👉 ঘটনা একটাই—
রাজা আসলে কিছুই পরেনি।
কিন্তু perception?
সবাই ভাবছে—
“সমস্যা আ
২০১৮ সালে প্রথমবার অনলাইনে ইনকাম করি—গুগল অ্যাডমব থেকে প্রায় ৮০ ডলার। তখন আমি বেকার, সেই টাকাটা আমার জন্য অনেক বড় কিছু ছিল।
কিন্তু হঠাৎ করেই গুগল আমার অ্যাকাউন্ট ব্যান করে দেয়। সত্যি বলতে, ওটা আমার জীবনের একটা বড় ধাক্কা ছিল। তখন মনে হয়েছিল—আমার সাথে অন্যায় হয়েছে। যদিও এখন বুঝি, কিছু ভুল আমারও ছিল।
কিন্তু ওই ঘটনাটাই আমাকে সবচেয়ে বড় একটা শিক্ষা দিয়েছে।
আজ আলহামদু
AI আসার পর আমার ইনকাম কমেনি—বরং বেড়েছে।
আগে ভাবতাম প্যাসিভ ইনকামই সবকিছু।
২-৪ বছর ধরে সেই দিকেই ফোকাস ছিল… আলহামদুলিল্লাহ ভালোই চলছিল।
কিন্তু AI আমাকে একটা জিনিস শিখিয়েছে—
রিয়েল ইনকাম আসে যখন আপনি মানুষের সমস্যা সমাধান করেন।
এখন আমি Ko-fi-তে টেমপ্লেট সেল করি।
কিন্তু শুধু টেমপ্লেট না—
আমি এমন সলিউশন দেই, যেটা সরাসরি ক্লাইন্টের কাজ সহজ করে।
AI আসার পর কম্পিটিশন বেড়েছে

জীবনে খারাপ কিছু হলে তুমি ভেঙে পড়ো, নাকি সেটাকেই সুযোগ বানাও?
ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে—
👉 “When life gives you lemons, make lemonade.”
মানে, জীবন যখন টক কিছু দেয়,
তুমি সেটাকেই মিষ্টি করে নিতে পারো কিনা—সেটাই আসল খেলা।
🍏 Steve Jobs-কে একসময় নিজের কোম্পানি Apple থেকেই বের করে দেওয়া হয়েছিল।
অনেকের জন্য এটা শেষ হয়ে যেত।
কিন্তু তিনি হার মানেননি—
👉 নতুন করে Pixar আর NeXT শুরু করেন
পরে আবার Apple-এ ফিরে এসে ইতিহাস তৈরি করেন
খারাপ
সব কিছু করতে চাইলে কিছুই করতে পারবে না
🥋 Bruce Lee বলেছিলেন—
👉 “Focus মানে হচ্ছে—অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দেওয়া।”
মানে, তুমি যত বেশি সবকিছু করতে চাও,
ততই তোমার ফোকাস ভেঙে যায়।
🍏 Steve Jobs Apple-এ ফিরে এসে
👉 100টা প্রোডাক্ট বাদ দিয়ে মাত্র 4টা রাখেন।
কারণ তিনি জানতেন—
কম জিনিসে ফোকাস করলে, সেরা কাজ করা যায়।
💰 Warren Buffett বলেন—
👉 “Successful মানুষরা প্রায় সবকিছুতে ‘না’ বলে।”
📌 তাহলে প্রশ্নটা আবার ভাবো—
যত জানবেন, তত ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন
একজন মানুষ—যাকে একসময় বলা হয়েছিল “পাগল”, আজ সে-ই ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছে। কেন?
এই গল্পটা Elon Musk-এর।
ছোটবেলা থেকেই সে অন্যদের মতো ছিল না। সে শুধু পড়াশোনা করত না—সে বুঝতে চাইত, খুঁজে বের করতে চাইত, প্রশ্ন করত।
১২ বছর বয়সে নিজে নিজে প্রোগ্রামিং শিখে একটা গেম বানিয়ে ফেলেছিল!
পরবর্তীতে সে বই, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি—সবকিছু নিয়ে গভীরভাবে জানতে থাকে।
এই “জানার নেশা”ই তাকে আলা
আত্মীয়রা যখন মূল্য দিতে শুরু করে—তখনই আপনি সত্যি সফল
আপনার আত্মীয় স্বজন যেদিন আপনাকে মূল্যায়ণ করা শুরু করবে সেদিন আপনি সবচেয়ে কঠিন পথ পাড়ি দিতে পেরেছেন।
যেই কোন ব্যবসা করেন কিংবা কাজ সবার আগে আপনার ক্রেতা হবে অপরিচিত লোকজন।
সবচেয়ে শেষে কনভার্ট হবে আপনার আত্মীয়রা।
আপনি বই লিখলে আত্মীয়রা টাকা দিয়ে কিনতে চাইবে না, রেস্টুরেন্টে টাকা দিয়ে খেতে চাইবে না। অনলাইন শপ দিলে তারা কিনবে না বরং ক্রিটিকাল থাকবে।
এটা তা
হাইপ দিয়ে ব্যবসা টিকে না—Sora তার প্রমাণ
আমার মনে হয় Sora বন্ধ হওয়ার পিছনে একটাই কারণ না, বরং কয়েকটা জিনিস একসাথে কাজ করেছে।
প্রথমত, এটা অনেকটা বিজনেস টেস্টিং টাইপ প্রোডাক্ট ছিল।
শুরুতে হাইপ ছিল, মানুষ ট্রাই করেছে, কিন্তু পরে ইউজেজ কমে গেছে।
বিশেষ করে Google Veo 3 আসার পর ভিডিও জেনারেশন নিয়ে ইউজারদের ফোকাস ভাগ হয়ে যায়, ফলে Sora দিয়ে কনটেন্ট বানানো আগের মতো দেখা যায় না।
দ্বিতীয়ত, আউটপুট যতই ইমপ্রেসিভ
হাইপ দিয়ে ব্যবসা টিকে না—Sora তার প্রমাণ
৯.৬ মিলিয়ন ডাউনলোড হওয়া Sora এপ বন্ধ করে দিচ্ছে Open AI!!
১ বিলিয়ন ডলারের ডিজনি সাথে করা ডিল ও বাতিল হয়ে গেলো!
অথচ লঞ্চ হওয়ার মাত্র ৫ দিনের মাথায় Sora ১ মিলিয়ন ডাউনলোডের মাইলফলক স্পর্শ করেছিল! এটা ছিল OpenAI-এর ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গ্রোথ, এমনকি ChatGPT-কেও এটি হার মানিয়েছিল!
শুধুমাত্র ভাইরাল হওয়াই যে শেষ কথা নয়,
তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ আজ আমাদের সামনে।
কিন্তু কে
সফল মানুষরা perfect moment খোঁজে না, তারা moment-টাই perfect বানায়
মুড না থাকলেও কাজ করা—এটাই সফল মানুষের secret।
Elon Musk একবার বলেছিল—
“আমি সপ্তাহে ৮০-১০০ ঘণ্টা কাজ করি।”
ভাবো তো—প্রতিদিন কি তার মুড থাকে?
না।
তারও ক্লান্তি আসে, চাপ আসে, problem আসে।
কিন্তু পার্থক্যটা এখানে—
সে মুডের জন্য অপেক্ষা করে না,
সে কাজ শুরু করে।
আমরা কী করি?
“আজকে ভালো লাগছে না” বলে থেমে যাই।
কিন্তু বাস্তবতা হলো—
মুড আসে কাজের পরে, আগে না।
তুমি যদি প্রতিদিন ম
ডিগ্রি বাড়ছে… বেকারও বাড়ছে। সমস্যা কোথায়?
আমরা সবাই পড়ছি—
কিন্তু কিসের জন্য পড়ছি?
চাকরির জন্য?
না কি শুধু একটা certificate-এর জন্য?
যখন হাজার মানুষ একই ডিগ্রি নিয়ে বের হয়—
তখন বাজারে সেই ডিগ্রির দাম কমে যায়।
👉 Skill না থাকলে ডিগ্রি useless
👉 Value না থাকলে certificate meaningless
সময় এসেছে mindset বদলানোর।
টাকা খরচ না, টাকা বাড়ানোর চিন্তা করো
আমরা বেশিরভাগ সময় একটা ভুল জায়গায় ফোকাস করি।
নতুন ফোন, নতুন গ্যাজেট, নতুন কিছু কিনলেই যেন জীবন একটু আপগ্রেড হয়ে যাবে—এই চিন্তায় আমরা আটকে থাকি।
কিন্তু সত্যিটা হলো, এগুলো আমাদের টাকা খরচ করতে শেখায়…
টাকা বানাতে না।
ধরো তোমার কাছে ১০,০০০ টাকা আছে।
তুমি চাইলে সেটা দিয়ে—
একটা নতুন হেডফোন কিনতে পারো 🎧
বা একটা কোর্স কিনে নতুন স্কিল শিখতে পারো 📚
বা ছোট একটা প্রজেক্ট শুরু
টাকা ইনকাম কেমনে করবো?
প্রায় সবাই এই প্রশ্নটা করে।
কেউ করে হতাশা থেকে, কেউ করে স্বপ্ন থেকে।
কিন্তু একটা কঠিন সত্য আছে—
বেশিরভাগ মানুষ টাকা ইনকাম করার আগে টাকা সম্পর্কে ভুল ধারণা নিয়ে বসে থাকে।
অনেকে ভাবে টাকা আসে ভাগ্য থেকে।
কেউ ভাবে টাকা আসে শর্টকাট থেকে।
কেউ আবার ভাবে টাকা শুধু ধনীদের জন্য।
বাস্তবতা একটু আলাদা।
টাকা আসলে মানুষের সমস্যার সমাধান থেকে আসে।
যে মানুষ যত বেশি মানুষের সমস্যা সম
গরিব মানুষ কি সত্যিই অলস, নাকি সুযোগ পায় না?
সমাজে একটা কথা খুব সহজে বলা হয়—
“গরিবরা অলস।”
কিন্তু একটু তাকালেই দেখা যায়—
রিকশা চালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক—
তারা অনেক সময় ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করে।
তবুও তারা গরিবই থেকে যায়।
তাহলে প্রশ্নটা অন্য জায়গায় যায়—
সমস্যা কি অলসতা,
নাকি সুযোগের অসমতা?
কারণ সবাই একই পৃথিবীতে জন্মালেও
সবার শুরুটা একই জায়গা থেকে হয় না।
“মানুষকে বিচার করার আগে তার অবস্থানটা বুঝতে চেষ্টা কর
এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৭% বাড়লো কিন্তু এর আসল অর্থ কী?
তেলের দাম ১৭% বেড়েছে।
কিন্তু এর প্রভাব ছোট না।
কারণ তেল শুধু একটা পণ্য না।
তেল হলো আধুনিক অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ।
তেলের দাম বাড়লে শুধু গাড়ির তেলই দামি হয় না—
বাড়ে পরিবহন খরচ,
বাড়ে খাদ্যের দাম,
বাড়ে উৎপাদন খরচ।
অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত চাপটা গিয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের উপর।
কিন্তু একটা প্রশ্ন এখানে গুরুত্বপূর্ণ—
তেলের দাম কি শুধু বাজার ঠিক করে, নাকি রাজনীতি?
ইতিহাস বলছে, তেলের বাজা
ক্ষমতা কি মানুষকে বদলায়, নাকি মানুষ আসলে এমনই ছিল?
যুদ্ধ শুরু হলে আমরা সাধারণত অস্ত্র, সীমান্ত আর সেনাবাহিনী দেখি।
কিন্তু যুদ্ধের ভেতরে আরেকটা জিনিস খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে—ক্ষমতা।
ক্ষমতা যখন হাতে আসে, তখন মানুষ কী করে?
সে কি বদলে যায়, নাকি তার ভেতরে যা ছিল, সেটাই শুধু প্রকাশ পায়?
ইতিহাসে প্রায় সব যুদ্ধের পেছনে একটা না একটা রাজনীতি থাকে।
রাজনীতি কখনো নিরাপত্তার কথা বলে, কখনো আদর্শের কথা বলে, কখনো প্রতিশোধের কথা বলে।
কি
নিউজফিড কি আমাদের মনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে?
আমরা ভাবি আমরা স্ক্রল করছি।
হয়তো সত্যটা উল্টো—
স্ক্রল আমাদের করছে।
প্রতিদিন সকালে চোখ খোলার আগে
আমরা ফোন খুলে ফেলি।
নিউজ। রিল। মতামত। ক্ষোভ। ট্রেন্ড।
সব একসাথে ঢুকে যায় মাথার ভেতর।
আমরা মনে করি আমরা তথ্য নিচ্ছি।
আসলে আমরা অভ্যাস বানাচ্ছি।
নিউজফিড আমাদের কী শেখায়?
দ্রুত রাগ করতে।
দ্রুত বিচার করতে।
দ্রুত পক্ষ নিতে।
আর দ্রুত ভুলে যেতে।
কোনো খবর ২৪ ঘণ্টার বেশি বাঁচে না।
কোনো ক
আমার বাবা বলে তুমি লড়তে থাকো য...
যে মানুষ AI ব্যবহার করতে জানে না, সে কি আগামী ৫ বছরে পিছিয়ে পড়বে?
একটা সময় ছিল—কম্পিউটার জানা মানুষ আলাদা করে চোখে পড়তো।
আজ কম্পিউটার না জানা মানুষই আলাদা।
AI ঠিক সেই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে।
প্রশ্নটা আসলে এটা না যে AI চাকরি কেড়ে নেবে কি না।
আসল প্রশ্ন—
যে মানুষ AI ব্যবহার করতে জানে, সে কি অন্যদের চেয়ে দ্রুত এগিয়ে যাবে?
উত্তরটা একটু অস্বস্তিকর।
হ্যাঁ, যাবে।
কারণ AI এখন “বুদ্ধিমান যন্ত্র” না,
এটা একটা ক্ষমতা বাড়ানোর হাতিয়ার।
একজন লেখক য
ডলারের কাছে হারাম হার মানে
ভুয়া মোটিভেশনের ফাঁদে পড়বেন না: ইনকাম নয়, ভবিষ্যৎ ভাবুন
আজকের ছোট প্রচেষ্টাই আগামী দিন...
এই দেশে সবাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে চায়ের দোকানে, ফেসবুকে, ওয়াজে, টকশোতে সব জায়গায়
ফ্রি হলো সবচেয়ে পুরোনো কৌশল
ভণ্ডামীর সমাজব্যবস্থা ও নীরবতার রাজনীতি
সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না
বাঙালি সহজ একটি জিনিসকে অকারণে জটিল করে ফেলে
রোম নগরী পুড়ে ছাই হচ্ছে, সম্রাট নিরো দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে বাঁশি বাজাচ্ছে
নিষেধের ফল: নৈতিকতা নয়, ভণ্ডামি
বাঙালি: নীতির কথা বলে, সুবিধার পথে হাঁটে
আপনি সব লেখা পড়ে ফেলেছেন!