Logo
rakibulhasanshawon

কাগজের মানুষ@rakibulhasanshawon

আমি কাগজের মানুষ, যা বলতে পারিনি, তা লিখে ফেলি।

অনুগামী· জন অনুসরণ করছেন
R

কাগজের মানুষ

৩৮ মি. আগে

নিরপেক্ষ থাকা কি সত্যিই নির্দোষ থাকা?

আমরা প্রায়ই বলি—
“আমি রাজনীতিতে নেই।”
“আমি কোনো পক্ষ নেই।”
“আমি নিরপেক্ষ।”

শুনতে খুব শান্ত, খুব ভদ্র একটা অবস্থান।

কিন্তু প্রশ্নটা হলো—
নিরপেক্ষ থাকা মানে কি সত্যিই নির্দোষ থাকা?

ধরো, কোনো অন্যায় তোমার সামনে হচ্ছে।
তুমি কিছু বললে না।
কিছু করলে না।
কোনো পক্ষ নিলে না।

তুমি কি নির্দোষ?
নাকি তুমি শুধু নিরাপদ?

অনেক সময় নিরপেক্ষতা নীতির না, ভয়ের জায়গা থেকে আসে।
আমরা ঝামেলা চাই না।
সমালোচনা চাই না।
বন্ধু হারাতে চাই না।

তাই আমরা বলি—
“আমি কিছু জানি না।”
“আমি এসব নিয়ে কথা বলি না।”

কিন্তু ইতিহাসে খুব কম অন্যায় থেমেছে
কারণ মানুষ নিরপেক্ষ ছিল।

অন্যায় টিকে থাকে তখনই,
যখন ভালো মানুষ চুপ থাকে।

আবার এটাও সত্য—
সব বিষয়েই চিৎকার করা বুদ্ধিমানের কাজ না।
সব লড়াই আমাদের না।
সব মতামত দেওয়াও প্রয়োজন না।

তাহলে সীমারেখাটা কোথায়?

সমস্যা তখনই শুরু হয়
যখন নিরপেক্ষতা হয়ে যায় অভ্যাস।
যখন আমরা আর বিবেকের প্রশ্ন শুনি না,
শুধু নিরাপত্তার হিসাব করি।

নিরপেক্ষতা কখনো কখনো জ্ঞানী অবস্থান।
কিন্তু অনেক সময় সেটা সুবিধাজনক অবস্থান।

আমরা কি সত্যিই নিরপেক্ষ?
নাকি আমরা শুধু এমন একটা জায়গায় দাঁড়াই
যেখানে ঝুঁকি কম?

সবচেয়ে কঠিন কাজ পক্ষ নেওয়া না।
সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো—
সঠিক জায়গায় দাঁড়ানো।

নিরপেক্ষতা যদি সত্য খোঁজার প্রক্রিয়া হয়,
তাহলে সেটা সাহসী।

কিন্তু নিরপেক্ষতা যদি হয়
দায় এড়ানোর উপায়,
তাহলে সেটা নির্দোষ না।

শেষ প্রশ্নটা তোমার জন্য—

তুমি যখন চুপ থাকো,
তুমি কি শান্ত?
নাকি শুধু নিরাপদ?

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

১ ঘণ্টা আগে

যুদ্ধের খবর যত বাড়ে, আমাদের মানবিকতা কি তত কমে?

একটা সময় যুদ্ধ মানে ছিল আতঙ্ক।
এখন যুদ্ধ মানে নোটিফিকেশন।

স্ক্রিনে ভেসে ওঠে—
বিস্ফোরণ, হামলা, প্রতিশোধ, পাল্টা আক্রমণ।
আমরা দেখি। শেয়ার করি। তর্ক করি।
তারপর স্ক্রল করে আরেকটা ভিডিওতে চলে যাই।

যুদ্ধ থামে না।
শুধু আমাদের মন থেমে যায়।

প্রতিদিন এত খবর আসে যে কষ্টেরও যেন একটা সীমা আছে।
একসময় মানুষ মরার খবর শুনে আমরা থমকে যেতাম।
এখন সংখ্যাটা বড় হলে অবাক হই, ছোট হলে গুরুত্ব দিই না।

১০ জন?
৫০ জন?
৫০০ জন?

সংখ্যা বাড়ে, অনুভূতি কমে।

আমরা হয়তো খারাপ না।
আমরা ক্লান্ত।

একটা সময় ছিল যখন দূরের দেশের যুদ্ধ মানে ছিল দূরের ট্র্যাজেডি।
এখন সেটা আমাদের নিউজফিডে ঢুকে পড়ে।
কিন্তু সমস্যা হলো—
নিউজফিডে যা আসে, সেটা বেশিক্ষণ থাকে না।

আমাদের সহানুভূতিও কি এখন অ্যালগরিদম-নির্ভর?

যে খবর বেশি শেয়ার হয়, সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।
যে ভিডিও বেশি ভাইরাল, সেই কষ্ট যেন বেশি বাস্তব।

বাকি কষ্টগুলো কোথায় যায়?

আমরা পক্ষ নিই।
তর্ক করি।
যুক্তি দিই।

কিন্তু খুব কম সময়ই আমরা থেমে ভাবি—
ওপারের মানুষটা আসলে কে ছিল?

কারও ছেলে।
কারও বাবা।
কারও অসমাপ্ত স্বপ্ন।

যুদ্ধের রাজনীতি বড়।
কিন্তু মৃত্যুগুলো সব সময় ব্যক্তিগত।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা হলো
আমরা ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যাই।

বিস্ফোরণের শব্দ না শুনেও,
আমরা ভেতরে ভেতরে অসাড় হয়ে যাই।

হয়তো আমাদের মানবিকতা পুরোপুরি কমে যায় না।
কিন্তু সেটা প্রতিদিন একটু একটু করে ক্ষয়ে যায়।

যুদ্ধের আগুন দূরে জ্বলে।
তার ছাই আমাদের মনেও পড়ে।

আজ যদি আমরা শুধু পক্ষ না নিয়ে
একবার মানুষের দিকে তাকাই—
তাহলে হয়তো যুদ্ধের ভেতর থেকেও
মানবিকতা বাঁচানো যায়।

শেষ প্রশ্নটা তোমার জন্য—

আমরা কি যুদ্ধের খবর দেখছি,
নাকি ধীরে ধীরে অনুভব করার ক্ষমতাটা হারাচ্ছি?

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

১০ ঘণ্টা আগে

মিডিয়া কি আমাদের আবেগ বিক্রি করছে?

বাংলাদেশের মিডিয়া ও মিডিয়াকর্মী যারা আছে তারা এমন সুন্দর করে নিউজ উপস্থাপন করছে যেন ইরানই যুদ্ধের সর্বদিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। আমাদের আবেগ ও উত্তেজনাকে কাজে লাগিয়ে ভিউ ব্যাবসা করা হলো তাদের ধান্দা। এই মুহূর্তে চরম বাস্তবতা হলো আজ ইরান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে গত হচ্ছে। মোসাদের সাহায্যে ইরানের মাটিতে নেমে অপারেশন চালাচ্ছে মার্কিন ইসরায়েলের যৌর্থ বাহিনী।

আয়াতুল্লাহ খোমেনি হত্যার পর ইরান একতরফা মার্কিন ঘাটি গুলোতে লাগাতার আক্রমণ করলেও তেমন কোনো ভাসমান ক্ষতি করতে পারেনি। কিন্তু ইসরায়েল আমেরিকার যৌথ বাহিনী ইরানের অর্থনৈতিক অঞ্চল, পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস করে দিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের আইআরজিসি ও বিভিন্ন ফোর্স প্রধানদের হত্যা করার মিশন চলমান রেখেছে।

এদেশের সব মিডিয়া গধি মিডিয়ার আচরণ করে। তাদের ভিউ ব্যাবসায় হলো মুখ্য। যেকোনো ইস্যুকে মনগড়াভাবে সাজিয়ে হাইলাইট করছে আপনার মনের আবেগকে কাজে লাগিয়ে বেশি ভিউ পাবার জন্য। ভিউ হলেই ডলার।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২ মার্চ

ইতিহাস সব সময় শক্তদের পক্ষে লেখা হয়

ইতিহাস কখনো নিরপেক্ষ ছিল না।
সে সবসময় ক্ষমতার টেবিলের পাশেই বসেছে।
যার হাতে তলোয়ার ছিল,
কলমটাও শেষ পর্যন্ত তার হাতেই গেছে।

জয়ীরা ইতিহাস লেখে—এটা কোনো অভিযোগ না, এটা নিয়ম।
কারণ হারারা ব্যস্ত থাকে কবর গুনতে,
আর বিজয়ীরা ব্যস্ত থাকে গল্প বানাতে।

ইতিহাস বলে—কে দেশ “উদ্ধার” করল।
বলে না—কাদের ঘর পুড়ল।
ইতিহাস বলে—কে শত্রুকে “শাস্তি” দিল।
বলে না—কারা “উদাহরণ” হয়ে মরল।

যে দখল করে, সে বলে “একত্রীকরণ”।
যে প্রতিরোধ করে, সে হয়ে যায় “বিদ্রোহী”।
একই রক্ত,
শব্দ বদলালেই অর্থ বদলায়।

শক্তরা শুধু যুদ্ধ জেতে না—
তারা ভাষাও দখল করে।
“শান্তি অভিযান”, “প্রতিরক্ষামূলক হামলা”, “কোল্যাটারাল ড্যামেজ”—
এগুলো শব্দ না, এগুলো ঢাল।
এই ঢালের আড়ালেই লাশগুলো অদৃশ্য হয়।

হারারা ইতিহাসে থাকে ফুটনোটে—
নাম ছাড়া, মুখ ছাড়া।
কখনো “অজানা নিহত”,
কখনো “অনিবার্য ক্ষতি”।

ম্যাকিয়াভেলি হলে হয়তো বলতেন—
ক্ষমতা শুধু ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ করে না,
সে অতীতও সম্পাদনা করে।
আর যে অতীত নিয়ন্ত্রণ করে,
সে মানুষকে শেখায়—কী ভুলে যেতে হবে।

তাই ইতিহাস পড়া মানে সত্য জানা না।
ইতিহাস পড়া মানে বোঝা—
কে বলছে,
কেন বলছে,
আর কাদের কথা ইচ্ছা করে বাদ রাখা হয়েছে।

ইতিহাস সব সময় শক্তদের পক্ষে লেখা হয়।
সত্য টিকে থাকে—
শুধু যারা খুঁজতে জানে, তাদের জন্য।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২ মার্চ

ভাল মানুষ হওয়া কঠিন না, ধারাবাহিক হওয়াই কঠিন

ভাল মানুষ হওয়া আসলে কঠিন কিছু না।
একটা দিনে দয়া করা যায়,
একটা মুহূর্তে সত্য বলা যায়,
একবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যায়।

কঠিনটা শুরু হয় পরের দিন

ধারাবাহিকতা মানে প্রতিদিন একই নৈতিক ওজন বইতে রাজি থাকা—
যখন কেউ দেখছে না,
যখন লাভ নেই,
যখন ক্ষতি নিশ্চিত।

ভাল হওয়া অনেক সময় ইমেজ
ধারাবাহিক হওয়া সবসময় মূল্য

ভাল মানুষ হওয়া উৎসবে হয়—
ক্যামেরা থাকে, হাততালি থাকে, গল্প হয়।
ধারাবাহিকতা হয় নীরবে—
কোনো সাক্ষী নেই, কোনো শিরোনাম নেই।

ভাল মানুষ হওয়া সহজ, কারণ সেটা বেছে নেওয়া যায় সুবিধামতো।
ধারাবাহিক হওয়া কঠিন, কারণ সেটা বেছে নেওয়া যায় না—
ওটা তোমাকে ধরে রাখে,
তোমার সুবিধার বিরুদ্ধেও।

আজ যে নীতির পক্ষে কথা বললে,
কাল সেটাই তোমার ক্ষতি করলে—
তখনই পরীক্ষা।
সেই জায়গায় বেশিরভাগ “ভাল মানুষ” হারিয়ে যায়।

ম্যাকিয়াভেলিয়ান দৃষ্টিতে বললে—
মানুষ নৈতিকতার প্রেমে পড়ে,
কিন্তু প্রতিশ্রুতির সাথে থাকতে চায় না।
কারণ প্রতিশ্রুতি ক্ষমতা চায় না—
চায় চরিত্র।

ভাল মানুষ হওয়া মানে আলোতে দাঁড়ানো।
ধারাবাহিক হওয়া মানে অন্ধকারেও একই থাকা।

তাই হ্যাঁ—
ভাল মানুষ হওয়া কঠিন না।
কিন্তু প্রতিদিন, প্রতিবার, প্রতিকূলতায়ও
একই মানুষ থাকা—
ওটাই আসল যুদ্ধ।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২ মার্চ

আমরা কেন পড়া ছেড়ে দিই, কিন্তু স্ক্রল করা ছাড়ি না

আমরা বলি “সময় পাই না।”
মিথ্যে।
সময় আছে বলেই আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করি।
আসলে আমরা পড়া ছেড়ে দিই, কারণ পড়া মানুষকে বদলায়;
আর স্ক্রল ছাড়ি না, কারণ স্ক্রল মানুষকে শান্তভাবে নিষ্ক্রিয় রাখে।

পড়া চায় পরিশ্রম
স্ক্রল চায় শুধু আঙুল।
পড়া প্রশ্ন তোলে “আমি কি ঠিক ভাবছি?”
স্ক্রল বলে “চিন্তা কোরো না, পরেরটা দেখো।”

পড়া মানুষকে একা করে।
একটা বইয়ের সাথে বসে থাকলে, নিজের মাথার শব্দ শোনা যায়।
আর মানুষ নিজের মাথার শব্দ সহ্য করতে পারে না।
স্ক্রল সেই শব্দ ঢেকে দেয়—নোটিফিকেশন, রিল, ট্রেন্ড, ক্ষোভ, হাসি।
সবকিছু, শুধু নিজেকে ছাড়া

পড়া তোমাকে ধীর করে
আর এই যুগ ধীর মানুষ চায় না।
ধীর মানুষ ভাবতে শেখে,
ভাবতে শেখা মানুষ প্রশ্ন করে,
আর প্রশ্ন করা মানুষ শাসনের জন্য বিপজ্জনক।

স্ক্রল তোমাকে দ্রুত রাখে কিন্তু ফাঁকা
এক মিনিটে দশটা মতামত,
কিন্তু একটারও দায় নেই।
এটা ক্ষমতার জন্য আদর্শ নাগরিক—
সব জানে মনে করে,
কিন্তু কিছুই গভীরে জানে না।

পড়া তোমাকে শেখায়—সব কিছু সহজ নয়।
স্ক্রল শেখায়—সব কিছুর একটা হট টেক আছে।
পড়া তোমাকে ধৈর্য দেয়।
স্ক্রল তোমাকে উত্তেজনা দেয়।
রাষ্ট্র, বাজার, অ্যালগরিদম—সবাই জানে
উত্তেজিত মানুষ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ,
ধৈর্যশীল মানুষ নয়।

আমরা পড়া ছেড়ে দিই, কারণ পড়লে বুঝে যাই—
আমাদের অনেক বিশ্বাস ধার করা,
অনেক মতামত প্রস্তুত-প্যাকেট।
আর এই উপলব্ধি অস্বস্তিকর।

স্ক্রল সেই অস্বস্তি দেয় না।
স্ক্রল শুধু বলে “তুমি ঠিক আছো। সমস্যা অন্যদের।”

ম্যাকিয়াভেলি হলে হয়তো বলতেন—
যে সমাজ পড়া ছেড়ে দেয়,
সে সমাজ শিকল পরে না—
সে নিজেই শিকলটাকে স্বস্তি বলে মেনে নেয়।

আমরা বই বন্ধ করি,
কারণ বই আয়না।
আর আমরা স্ক্রল চালু রাখি,
কারণ স্ক্রল পর্দা।

একটা তোমাকে মানুষ বানায়।
আরেকটা তোমাকে ব্যস্ত রাখে—
যাতে মানুষ হয়ে উঠার সময়ই না থাকে।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২ মার্চ

যুদ্ধের সময় মানুষ কী হারায়—যা খবরের শিরোনামে আসে না

যুদ্ধের খবর আমরা পড়ি সংখ্যায়—
কতজন নিহত, কতটা এলাকা দখল, কত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি।
কিন্তু যুদ্ধ আসলে সংখ্যার খেলা নয়। যুদ্ধ হলো ক্ষমতার হিসাব, আর সেই হিসাবের খাতায় মানুষ কেবল ব্যয়যোগ্য সম্পদ

খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধের প্রথম শিকার সত্য
প্রতিটি পক্ষ নিজের বোমাকে “প্রতিরক্ষা” বলে, অন্যের কান্নাকে “প্রপাগান্ডা” বলে। সত্য এখানে বিলাসিতা—যুদ্ধের সময় রাষ্ট্র সত্য বহন করে না, ব্যবহার করে।

খবরের শিরোনাম বলে না—
মানুষ তার নৈতিকতা হারায় ধীরে ধীরে
প্রথমে শত্রু মানুষ থাকে, তারপর “টার্গেট”, শেষে “সংখ্যা”।
যে মানুষ কাল পর্যন্ত বলত “নিরীহদের হত্যা অন্যায়”, সে আজ বলে—
“যুদ্ধ হলে একটু কোল্যাটারাল ড্যামেজ হতেই পারে।”
নৈতিকতা মারা যায় না—রাষ্ট্র তাকে প্রয়োজনমতো ছুটি দেয়।

খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধ মানুষের সহানুভূতিকে জাতীয়তা দিয়ে ভাগ করে দেয়
আমাদের শিশু = শহীদ
ওদের শিশু = পার্শ্বক্ষতি
কান্নার ভাষা এক, কিন্তু পতাকা আলাদা হলে মূল্যও আলাদা।

খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধ মানুষকে চিন্তা করতে ভয় শেখায়
প্রশ্ন করা দেশদ্রোহিতা হয়ে যায়, সন্দেহ মানেই শত্রুর দালাল।
রাষ্ট্র তখন চায় আনুগত্য, বুদ্ধি নয়।
কারণ ভাবতে জানা মানুষ শাসনের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক।

খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধ মানুষকে অভ্যাসে নিষ্ঠুর করে তোলে
প্রথম লাশে শিউরে ওঠা মানুষ, দশম লাশে চা খেতে খেতে স্ক্রল করে।
নিষ্ঠুরতা জন্মায় না—বারবার দেখলে সেটা স্বাভাবিক হয়ে যায়।

খবরের শিরোনাম বলে না—
যুদ্ধ শেষে যারা বেঁচে থাকে, তারা আর আগের মানুষ থাকে না।
তারা ঘরে ফেরে ঠিকই, কিন্তু
বিশ্বাস ফেরে না,
নিরাপত্তা ফেরে না,
আর সবচেয়ে ভয়ংকর—ভবিষ্যৎ কল্পনা করার ক্ষমতা ফেরে না।

ম্যাকিয়াভেলি হলে হয়তো বলতেন—
রাষ্ট্রের জন্য যুদ্ধ প্রয়োজন হতে পারে।
কিন্তু রাষ্ট্র যদি ভুলে যায়, যুদ্ধের আসল দাম মানুষ দেয়—
তাহলে সেই রাষ্ট্র টিকে থাকে ঠিকই,
কিন্তু মানুষের জন্য নয়,
মানুষকে ব্যবহার করার জন্য।

যুদ্ধ শেষে মানচিত্র বদলায়।
কিন্তু নীরবে যা বদলায়—
মানুষের ভেতরের মানুষটা—
ওটার কোনো হেডলাইন হয় না।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২ মার্চ

ইরান কেন ‘আয়রন ডোম’ বানায়নি?

ইরান কেন ‘আয়রন ডোম’-এর মতো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেনি? অদ্ভুত সমরনীতি নাকি বাস্তবমুখী কৌশল?

ইসরায়েলের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক মিসাইল হামলার পর অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ইরান তো জানেই তারা টার্গেট, তাহলে তারা কেন ইসরায়েলের ‘আয়রন ডোম’-এর মতো কোনো শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত তৈরি করেনি? ইরানের সমরনীতি কি তবে দুর্বল?

​আসলে বিষয়টি যতটা না দুর্বলতা, তার চেয়ে বেশি ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং ভিন্ন সামরিক কৌশলের প্রতিফলন। এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো:

​১. আয়তন ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা: ইসরায়েল আয়তনে আমাদের ঢাকা বিভাগের চেয়েও ছোট। পুরো দেশটিকে কয়েকটি ‘আয়রন ডোম’ ইউনিট দিয়ে ঢেকে ফেলা সম্ভব। কিন্তু ইরান একটি বিশাল দেশ (প্রায় ১৬.৫ লক্ষ বর্গ কিমি)। পুরো ইরানকে আয়রন ডোম স্টাইলে সুরক্ষিত করা অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে প্রায় অসম্ভব।

​২. আয়রন ডোম আসলে কী আটকায়? অনেকেই ভুল করেন এই জায়গায়। আয়রন ডোম মূলত তৈরি করা হয়েছে হামাস বা হিজবুল্লাহর ছোড়া স্বল্পপাল্লার সাধারণ রকেট বা কামানের গোলা আটকানোর জন্য। কিন্তু ইরানের প্রধান হুমকি হলো আমেরিকার F-35 স্টিলথ ফাইটার এবং ইসরায়েলের ব্যালিস্টিক মিসাইল। আয়রন ডোম এগুলো আটকাতে পারে না। একারণে ইরান আয়রন ডোমের পেছনে টাকা খরচ না করে রাশিয়ার S-300 বা তাদের নিজস্ব Bavar-373 এবং Khordad-15 এর মতো লং-রেঞ্জ সিস্টেমের ওপর জোর দিয়েছে।

​৩. আক্রমণই যখন সেরা প্রতিরক্ষা (Deterrence): ইরানের সমরনীতি মূলত ‘অপ্রতিসম যুদ্ধ’ বা Asymmetric Warfare। তারা জানে আকাশ প্রতিরক্ষায় তারা পশ্চিমাদের চেয়ে পিছিয়ে। তাই তারা কয়েক হাজার সস্তা ড্রোন এবং বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইল মজুদ করেছে। তাদের যুক্তি পরিষ্কার— “তোমরা যদি আমাদের ওপর হামলা করো, তবে আমাদের পাল্টা হামলায় তোমাদের পুরো দেশ মাটির সাথে মিশে যাবে।” তারা প্রতিরক্ষার চেয়ে পাল্টা আঘাতের ভয় দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে থামিয়ে রাখতে চায়।

​৪. পাহাড়ের নিচে ‘মিসাইল সিটি’: আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১০০% নিঁখুত হওয়া কঠিন। তাই ইরান তাদের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্র এবং মিসাইল ঘাঁটিগুলো পাহাড়ের শত শত ফুট নিচে সুড়ঙ্গ করে তৈরি করেছে। আকাশ থেকে বোমা ফেলে এগুলো ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।

​#Iran #Israel #IronDome #Geopolitics #MilitaryStrategy #DefenceAnalysis #iranisraelconflict

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২৭ ফেব

যার জীবনে মিশন নেই, সে অন্যের খেলায় ঘুঁটি

যে পুরুষের জীবনে কোনো 'মিশন' নেই, তাকে খুব সহজেই চিনে নেওয়া যায়।

সে লক্ষ্যহীনভাবে ভেসে বেড়ায়। সে কেবল পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় চলে। সে সবসময় অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকে—অন্যরা কী করছে তা দেখার জন্য, অন্যদের অনুকরণ করার জন্য কিংবা অন্যের সাথে তুলনা করে নিজের দুঃখ বাড়ানোর জন্য।

আর যখনই বাতাসের দিক বদলায়, তার লক্ষ্যও বদলে যায়।

আজ সে টাকার পেছনে ছুটছে। কাল সে স্ট্যাটাসের পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরছে। আর পরদিন সেই শূন্যতা পূরণ করার জন্য সে সস্তা বিনোদন বা ডিস্ট্রাকশনের পেছনে সময় নষ্ট করছে।

প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য বা কাজ না থাকলে, একজন পুরুষ মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সে খুব সহজেই অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়। যাদের জীবনে মিশন আছে, তারা তাকে নিজেদের স্বার্থে হাজারো দিকে টেনে নিয়ে যায়।

এ কারণেই তুমি যত শক্তিশালী পুরুষদের চেনো, তাদের সবার মধ্যে একটা জিনিস কমন— স্বচ্ছতা।

হয়তো খুঁটিনাটি বিষয়ে তাদের মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তারা প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে ঘুম থেকে ওঠে। আর এই উদ্দেশ্যই হলো তাদের বর্ম।

এখনই নিজেকে প্রশ্ন করো: তোমার রুটিন, ইনবক্স আর ক্যালেন্ডারের ব্যস্ততা যদি সরিয়ে ফেলা হয়—তবে ভেতরে তোমার আসল 'মিশন'টা কী?

যদি তুমি এর উত্তর না জানো, তবে তুমি অন্যের দাবা খেলার একটা 'কিস্তি' বা 'ঘুঁটি' হয়েই থেকে যাবে।

তাই অন্য কেউ এসে তোমাকে পথ দেখাবে—সেই আশায় বসে থেকো না। নিজের মিশন নিজে বেছে নাও।

নয়তো অন্য কোনো পুরুষ তোমার ভাগ্য লিখে দেবে।

আজ কি তুমি তোমার সেই 'মিশন' নিয়ে দুই মিনিট ভাববে? তোমার জীবনের সেই বড় উদ্দেশ্যটা কী যা তোমাকে প্রতিদিন বিছানা থেকে টেনে তোলে?

যদি এখনো তা অস্পষ্ট থাকে, তাহলে তোমার জীবনের সেই 'মিশন' বা উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার জন্য নিচের ৩টি প্রশ্ন নিয়ে গভীরভাবে ভাবো।

এগুলো সাধারণ প্রশ্ন নয়, এগুলো তোমার অবচেতন মনকে নাড়া দেওয়ার টুলস:

১. তোমার 'ডেঞ্জারাস' প্রতিভা কোনটি?

এমন কোনো কাজ কি আছে যা তুমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা করতে পারো এবং যেটা করতে গিয়ে তুমি খাওয়া-দাওয়া বা সময়ের কথা ভুলে যাও? যে কাজটা অন্যরা করতে গেলে হাঁপিয়ে ওঠে, কিন্তু তোমার কাছে সেটা নেশার মতো? তোমার মিশনের বীজ এই ভালো লাগার মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

২. কোন অভাব বা অন্যায় তোমাকে সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয়?

মিশন সবসময় শুধু 'ভালো লাগা' থেকে আসে না, অনেক সময় 'ক্ষোভ' থেকেও আসে। সমাজের কোন সমস্যাটা দেখলে তোমার মনে হয়— "কেউ কেন এটা ঠিক করছে না?" মনে রেখো, ওই 'কেউ' একজন হয়তো তুমি নিজেই। তোমার রাগ বা বিরক্তিই বলে দিচ্ছে তোমার যুদ্ধের ময়দান কোনটি।

৩. আগামীকাল যদি তোমার হাতে অঢেল টাকা থাকে, তবে তুমি কী করবে?

টাকার চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলো। এখন বলো, শুধু টিকে থাকার লড়াই না থাকলে তুমি নিজেকে কোন কাজে বিলিয়ে দিতে?

যে কাজটা তুমি ফ্রিতে করতেও রাজি, সেটাই তোমার জীবনের প্রকৃত আহবান!

বন্ধু, এই ৩টি প্রশ্নের উত্তর এক জায়গায় লেখো। দেখবে তোমার মিশনের একটা ছবি ফুটে উঠছে।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠার মূহুর্তে এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময় এই ছবিকে কল্পনায় দেখে ঘুমিয়ে পড়বে।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২৬ ফেব

নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই

আপনার কাছে যদি মুরগির ঝোল আর সাদা ভাত বেশি ভালো লাগে তবে আপনি সেটাই খান! গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের চোখে স্মার্ট সাজার জন্য চাইনিজ অর্ডার করার দরকার নাই!

যদি ক্যাপিচিনো খেতে ভালো না লাগে জোর করে ভালো লাগাতে যাবেন না, আপনি টং দোকানের দুধ চা খান — কোনো দ্বিধা ছাড়াই দুধ চায়ের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড দিন।

আপনার গেম অব থ্রোনস ভালো লাগে না, আপনি ডার্ক ফ্যান্টাসি বোঝেন না, আর্ট ফিল্ম দেখতে আপনার বিরক্ত লাগে; আপনি দেখবেন না।

আপনার কবিতা পড়তে ভালো লাগে না, পড়বেন না। বৃষ্টি হলেই যে কবিতা পড়তে হবে একথা কোথায় লেখা আছে? বৃষ্টির দিনে কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘুমানোও কি কম শান্তির!

স্টাইলিশ আর টাইট ফিটিং জামা কাপড় পড়ে কমফোর্ট ফিল না করলে পড়বেন না, ঢিলাঢালা জামা কাপড় পড়ে বের হোন। সবাই স্টাইলিশ জামা কাপড় পড়লে আপনাকেও পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। যারা আপনার ভিতরটা না দেখে গায়ের কাপড় দিয়ে আপনাকে বিচার করে তাদের সাথে মেলামেশা না করাই আপনার জন্য ভালো! অন্যের চোখে নিজেকে ড্যাশিং প্রমাণ করার জন্য নিজের উপর কিছু চাপিয়ে নিবেন না।

ক্যাপাচিনো পছন্দ না করলে যে সার্কেলে আপনার ইজ্জত থাকে না, গেম অব থ্রোনস, ডার্ক ফ্যান্টাসি, বিটিএস না দেখলে যে সার্কেলে আপনি ক্ষ্যাত বলে পরিচিত হন, ট্রেন্ডি স্টাইলে না চললে যে সার্কেলে আপনি আঁতেল উপাধি পান, ওইটা টক্সিক সার্কেল — ওখান থেকে বের হয়ে আসুন!

যারা আপনাকে আপনার মত করে গ্রহণ করতে পারে না, তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার চেয়ে একা থাকাই ভালো। মনে রাখবেন একশটা নাক উঁচু জাজমেন্টাল ইন্টেলেকচুয়ালের সাথে কৃত্রিম আড্ডার চেয়ে একজন সাধারণ দিলখোলা মানুষের সাথে দুদন্ড গল্প করা অনেক বেশি প্রশান্তির।

১.২k পড়েছে মিনিট
R

কাগজের মানুষ

২৫ ফেব

যে জীবন পেতে ২৫ বছর লাগে, তা যদি আজই থাকে?

মেক্সিকো ভ্রমণে গেছেন এক পর্যটক। ঘুরতে ঘুরতে তিনি গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানে জেলেদের মাছ ধরা দেখে তিনি দারুণ মজা পেলেন। তাদের কাছে গিয়ে পর্যটক বললেন, "আচ্ছা, প্রতিদিন মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”

“বেশিক্ষণ না!” জেলেদের ঝটপট জবাব।

“তাহলে আপনারা বেশি সময় ধরে আরো বেশি মাছ ধরেন না কেন?” পর্যটক প্রশ্ন করেন।

"আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়।" জেলেরা জাল টেনে তুলতে তুলতে বলেন।

“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” পর্যটক জানতে চান।

জেলেরা উত্তর দেয়, “আমরা ঘুমাই, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, স্ত্রীর সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই, জীবনকে উপভোগ করি।"

পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনারা আরও বেশি সময় নিয়ে মাছ ধরবেন, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনবেন।"

“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।

“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় কয়েকটা নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছে'ড়ে মেক্সিকোর বড় কোনো শহর, আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন।" পর্যটক বলতে থাকেন।

“এসব করতে আমাদের কত সময় লাগবে?” জেলেরা জানতে চায়।

“২০/২৫ বছর তো লাগবেই।” একটু ভেবে জবাব দেন পর্যটক।

"তারপর?" জেলেদের চোখে কৌতূহল।

লোকটা হেসে বলেন, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”

“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।

পর্যটক তখন কিছুটা বিরক্তি নিয়ে জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন।"

জেলেরা উদাসভাবে বলেন, “সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি! তাহলে ২০/২৫ বছরের ক'ষ্ট করতে যাব কেন?"

-সংগৃহীত।

১.২k পড়েছে মিনিট